পাকা কলা খাওয়ার ১৯ উপকারিতা, পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ও ৫টি অপকারিতা

আমরা অনেকেই পাকা কলা খাওয়া পছন্দ করি না।তবে এই পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা কত বেশি সেটি জানলে আমরা প্রত্যেকে পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করে নিতাম।কলা ফল একটি খুবই পরিচিত ফল আমাদের কাছে।কিন্তু আমরা পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা ও সম্পর্কে জানি না।এইজন্য আজকের এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিত জানব এ বিষয়গুলো নিয়ে।


অনেক মানুষই আছে যারা নিয়ম মেনে বা প্রতিদিন কলা খেয়ে থাকে। তবে তারা যদি এই পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বা পাকা কলা খাওয়ার অপকারিতা সম্পর্কে না জানে, তবে অনেক সমস্যা হতে পারে। এজন্য আজকে এই আর্টিকেলটি তাদের জন্য।

পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা

আমরা অনেকেই জানিনা পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।কলাতে পাওয়া যায় অনেক বেশি পরিমাণে পুষ্টি উপাদান ও ভিটামিন।এইজন্যই পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করি আমরা প্রতিদিন।তবে আমাদেরকে অবশ্যই পাটা কলা খাওয়ার আগে জানা উচিত যে এই পাকা কলায় কি কি উপাদান পাওয়া যায়।আমাদের শরীরের জন্য পাকা কলা পুষ্টিকর কিনা সেটি সম্পর্কেও জানা উচিত।


  • ভূমিকা রাখে সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণে
  • ভারসাম্য বজায় রাখে শরীরের লবণের
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্তি শরীরে যোগান দেয়
  • সমাধান করে মলদ্বারের সমস্যা
  • ঝুঁকি কমিয়ে দেয় হৃদরোগের
ভূমিকা রাখে সঠিক ওজন নিয়ন্ত্রণেঃযেসব মানুষের ওজন কমানোর জন্য বিভিন্ন রকম ফল খেয়ে থাকেন তার মধ্যে কলা হলো একটি ফল।যাদের অতিরিক্ত ওজন বা ওজন কমাতে চায় তারা এই কলা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।কারণ নিয়মিত কলা খেলে মানুষের শরীরের বেশি পরিমাণের ওজন কমাতে কার্যকারী করে কারণ এর মধ্যে আছে সঠিক পরিমাণে পুষ্টি উপাদান।
ভারসাম্য বজায় রাখে শরীরের লবণেরঃলবণের প্রয়োজন হয় প্রত্যেকটি মানুষের শরীরে।লবণে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণ আয়োডিন আর এই আয়োডিন রয়েছে কলার মধ্যে।যেটি মানুষের শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখে।এইজন্য কলা খাওয়া প্রত্যেকটি মানুষের জন্য উচিত।
পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্তি শরীরের যোগান দেয়ঃসুস্থ সবল থাকার জন্য শরীররে সঠিক শক্তি প্রয়োজন হয়।যেসব ব্যক্তিরা শরীরচর্চা করে তাদের নিয়ম করে দুটি করে কলা খাওয়া উচিত। কারণ কলাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।কলা খাওয়ার অভ্যাস করলে মানুষের শরীরের শক্তি ও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখে।
সমাধান করে মলদ্বারের সমস্যাঃঅনেক মানুষই আছে যাদের মলদ্বারের সমস্যা হয়ে থাকে এবং অনেকেরই ইনসেকশনও হয়ে যায় মলদ্বারের।যেসব মানুষের এই ধরনের রোগে আক্রান্ত তাদের নিয়ম করে কলা খাওয়ার অভ্যাস করে নেয়া উচিত। কারণ প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন রয়েছে কলাতে। মলদ্বারে সমস্যা সমাধান হয়ে যায়।
ঝুঁকি কমিয়ে দেয় হৃদরোগেরঃবর্তমানে হৃদরোগের সমস্যা অনেক জটিল ধরনের হয়ে গেছে।কারণ আমরা অনেকেই নিয়ম না করে বা যেসব খাবারগুলো খেলে হৃদরোগের সমস্যা হয় বা অন্য সব রোগের সমস্যা হয় সেসব খাবারই বর্তমানে আমরা খেয়ে থাকছি।খাবারে তালিকাতে যদি আমরা পুষ্টিকর খাবার খায় এবং এই খাবারের মধ্যে কলা ও যদি খায় এতে করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাই।কারণ কলাতে রয়েছে পটাশিয়াম ও সোডিয়ামযা কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করে, হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।

সকালে কলা খাওয়ার উপকারিতা

আজকের এই আর্টিকেলটিতে আমরা উপরে পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে তথ্য জাননাল।এখন আরো কিছু তথ্য জানবো,উপরে আমরা জানলাম যে কলা খেলে কি কি উপকার হয়ে থাকে আমাদের শরীরে।পাকা কলাতে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান এবং আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য এই উপাদানগুলো খুবই প্রয়োজনীয়। এজন্য আমাদের প্রত্যেকেরই খাদ্য তালিকায় কলা খাওয়ার নিয়ম করা।নিজে কিছু তথ্য উল্লেখ করা হলো সকালে কলা খেলে কি উপকারিতা আসে-
  • প্রতিরোধ করে ক্যান্সার
  • বৃদ্ধি করে ত্বকের উজ্জ্বলতা
  • টান পড়ার সমস্যা কমায় পেশির
  • কমিয়ে দেয় রক্তচাপ
  • দূর করে থাকে হতাশা
  • কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা ভালো করে
  • রক্তস্বল্পতার সমস্যা সঠিক হয়
প্রতিরোধ করে ক্যান্সারঃক্যান্সার হল একটি মারাত্মক রোগ।এই রোগটি থেকে ভালো থাকার জন্য প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টিকর খাদ্য আমাদেরকে অবশ্য গ্রহণ করতে হবে।ভিটামিন ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় যুক্ত করলে আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক থাকবে।এতে করে শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং প্রতিরোধ হবে ক্যান্সার রোগ।
বৃদ্ধি করে ত্বকের উজ্জ্বলতাঃপ্রত্যেকটি মানুষই চায় আর ত্বক অনেক সুন্দর ও উজ্জ্বলতা থাকুক।নিজের ত্বককে সুন্দর ও উজ্জ্বলতা রাখার জন্য প্রতিদিনই আমাদের পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।পুষ্টিকর খাবার এর মধ্যেও পরে কলা।এইজন্য প্রতিদিন কলা খাওয়ার অভ্যাস করা আমাদের সকলেরই উচিত। এতে করে ত্বকের উজ্জ্বলতা সুন্দর থাকবে।
টান পড়ার সমস্যা কমায় পেশিরঃবর্তমানে অনেক মানুষই টান পড়ে পেশিতে।কারণ ক্যালসিয়ামের ঘাটতি হলে এই সমস্যাটি হয়ে থাকে। এজন্য প্রত্যেকটি মানুষেরই সঠিক পরিমাণের ক্যালসিয়াম যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করা উচিত।কলাতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত পরিমাণের ক্যালসিয়াম যা মানুষের শরীরের জন্য খুবই ভালো এবং টান পড়ার সমস্যা কমায় পেশির অনেকটুকুই।
কমিয়ে দেয় রক্তচাপঃযেসব মানুষের নিম্ন রক্তচাপ ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা হয় তাদের নিয়মিত পাকা কলা খাওয়া অভ্যাস করা উচিত সকালে।আমরা যদি প্রতিদিনই সকালে পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করে এতে প্রত্যেকটি মানুষেরই ব্লক দূর ও হার্ট অ্যাটাক এর সমস্যা দূর হয় এবং কমিয়ে দেয় রক্তচাপ।
দূর করে থাকে হতাশাঃআমরা বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষই অতিরিক্ত মাত্রায় হতাশায় ভুগছি।এই সমস্যাটি দূর করতে হলে অবশ্যই পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।প্রতিদিন পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস করলে দূর করে থাকে হতাশা এতে মন অনেকটা ভালো থাকে।
কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা ভালো করেঃপাকা কলা খাওয়ার প্রত্যেকদিন অভ্যেস করলে কোষ্ঠকাঠিন্য রোগীদের জন্য অনেক উপকার।কলাতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর উপাদান পাওয়া যায়।সকল মানুষের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তাদের নিয়মিত কলা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত কারণ এতে হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়।কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা ভালো করতে হলে অবশ্য হজম শক্তি বৃদ্ধি করা ভালো।
রক্তস্বল্পতার সমস্যা সঠিক হয়ঃরক্তস্বল্পতা বর্তমানে অনেক মানুষেরই হয়ে থাকছে।এ রোগটি পর্যাপ্ত পরিমাণের পুষ্টি শরীরে না থাকলে এ সমস্যাটি হয়ে থাকে।আমাদের শরীরে এই রোগটি হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় ও নানা ধরনের রোগ আক্রান্ত হয়ে থাকে। কলাতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন রয়েছে। যা আমাদের শরীরের রক্তস্বল্পতা সঠিক রাখার জন্য একটি ভালো পুষ্টিকর খাদ্য।

রাতে কলা খাওয়ার উপকারিতা

উপরে আমরা ইতিমধ্যেই পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছি। রাতে যদি একটি করে পাকা কলা খাওয়ার অভ্যাস আমরা প্রতিদিন করি এতে আমাদের স্বাস্থ্যের অনেক উপকার আসবে এ কথাটি আমারও অনেকে মনে করি। তবে উক্তিটি সম্পূর্ণই কি সত্য? এই আর্টিকেল দিয়ে আজকে যেহেতু পাকা কলা নিয়েই এজন্য এই বিষয়ে বিস্তারিত জানবো।
আগেকার যুগে দাদি নানিরা সাধারণত আমাদেরকে বলে থাকত যে রাতের বেলা ফল খাওয়া সঠিক না।এইজন্য আমরা রাতের বেলা ফল খেতাম না মনে করতাম শরীরে সমস্যা হতে পারে।তবে এই তথ্যটি সম্পূর্ণএকটি ভুল তথ্য।আমাদের স্বাস্থ্যের সুস্থ রাখার জন্য কলার মধ্যে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। যা আমাদের শরীর সুস্থ রাখার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল।
তবে রাতে কলা খেলে কি সমস্যা হতে পারে?কলা ফলটি একটি ঠান্ডা ফল।দাদি নানিরা আমাদের রাতে কলা খেতে বারণ করতেন তার কারণ হচ্ছে যাতে আমাদের ঠান্ডা না লাগে।এছাড়াও একটু বেশি সময় হজম হতে নেয় এবং অলসতা আসে এই ফলটি খাওয়ার পরে। আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য এবং কলাতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান থাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি ফল।
আমাদের শরীরে শক্তি যোগায় কলা খাওয়ার অভ্যাস করলেন।অনেকগুলো রোগও আছে যা আমাদের শরীরে প্রতিরোধ কার্যকারিতার বিশেষ ভূমিকা রাখে এই কলা। রাতের বেলা কলা না হয় উচিত যেসব মানুষের একটুতেই ঠান্ডা লাগার অভ্যাস রয়েছে।সকালেও বিকালে বেশি করে কলা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত যারা শরীরচর্চা করে থাকে।

নিয়মিত কলা খাওয়ার উপকারিতা

পাকা কলায় পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম পটাশিয়াম ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান। যা মানুষের শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই কলা। এছাড়াও শরীরের স্বাস্থ্য ভালো রাখে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ও দূর করে থাকে পেটের সমস্যা।সাধারণত যেসব ব্যক্তিরা অতিরিক্ত পরিমাণের কঠোর পরিশ্রম করে সেসব ব্যক্তির জন্য কলা একটি উপকারী ফল।
যেসব ব্যক্তিরা খুবই পরিশ্রম করে ও সারাদিন দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে ক্লান্তি অনুভব করে তাদের সকলেরই পাকা কলা খাওয়া ভালো।ভালো উপকারী পাওয়ার জন্য সন্ধ্যাবেলায় বা বিকালে কলা খাওয়া ভালো। শক্তি বৃদ্ধি করতে ও ভালো ঘুম হওয়ার জন্য এটি কার্যকারী ভূমিকা রাখে। এই জন্য সকালেও বিকালে বিশেষ করে নিয়মিত কলা হওয়া উচিত।

কাঁঠালি কলা খাওয়ার উপকারিতা

উপরে আমরা জেনেছি পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা বিষয়। এখন জানব কাঁঠালি কলা খাওয়ার উপকারিতা বিষয় সম্পর্কে। কাঁঠালি কলা হলো একটু অন্যতম কলা, কারণ কলার মধ্যেও রয়েছে নানা প্রকারভেদ। কলা একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর ফল।অনেক মানুষই আছে যারা নাস্তা হিসেবে কলা খেয়ে থাকে।ভিটামিন ও ফাইবারে ভরপুর এই ফলটি।
  • আমাদের মধ্যে যেসব মানুষের ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার হল কলা।ডায়াবেটিস সমস্যা দূর করতে নিয়মিত কলা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত।
  • এলার্জির বা অ্যালার্জিজনিত সমস্যা যেসব মানুষের রয়েছে তাদের নিয়মিত কলা খাওয়ার প্রবেশ করা উচিত।
  • আমাদের শরীরের হাড় শক্ত করতে কলার এক বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কারণ এই ফলটিতে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দূর করতে কলার ভূমিকা খুবই গুরুত্ব। কারণ এতে ফাইবার রয়েছে।
  • যেসব মানুষের হজম শক্তির সমস্যা আছে তাদের নিয়মিত কলা খাওয়া উচিত। এতে করে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

দুধ কলা খাওয়ার উপকারিতা

আমাদের মধ্যে অনেকের দুধ কলা খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে এবং অনেকেই জানতে ইচ্ছুক হয় দুধ কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে। সাধারণত যারা বেশি পছন্দ করে এই ধরনের খাবারকে।আমরা প্রত্যেকেই ছোটবেলায় দুধ ও কলা একসাথে মাখিয়ে খাইয়ে দিয়েছে আমাদের মা-বাবারা।শরীর সুস্বাস্থ্য রাখতে হলে দুধ ও কলা খাওয়ার অভ্যাস করা ভালো। কারণ এতে আমাদের শরীরের সুস্থ রাখতে উপকার করে।
প্রত্যেকটি মানুষই আমরা সাধারণত জানি দুধে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এবং আরও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর উপাদান ও ফাইবার যেটি আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাছাড়াও কলায় পাওয়া যায় ভরপুর পরিমাণে পুষ্টিগুণের উপাদান।ফাইবারও রয়েছে কলাতে যা শরীরকে শক্তি জোগাতে বিশেষ কার্যকারী ভূমিকা রাখে।
ভিটামিন বি,ফাইবার,ভিটামিন সি,ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম সহ আরো অনেক উপাদান কলার মধ্যে রয়েছে।নিয়মিত দুধ ও কলা আমরা যদি একত্রে করে খাই তাহলে আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে উপকার করবে। সব মানুষের ওজন বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের দুধ ও কলা একত্রে মিশিয়ে খাওয়া উচিত এতে শুরু করবে ওজন কমা।

পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা

উপরে আমরা পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এখন আমরা পাকা কলা খাওয়ার অপকারিতা বিষয় সম্পর্কে জানবো।প্রত্যেকটি খাবার বা প্রত্যেকটি ফলেরই যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি কিছুটা অপকারিতা রয়েছে। আমরা প্রত্যেকেই পাকা কলা খেয়ে থাকি এবং এটি একটি খুবই সহজলভ্য ফল।নিচের কিছু অপকারিতা উল্লেখ করা হলো-
  • রাতে ঘুমানোর আগে কলা না খাওয়াই ভালো। কারণ খুবই বেশি পরিমাণে কলা খেলে ঘুমানোর সমস্যা হতে পারে।
  • আমাদের শরীরের ওজন কমাতে কলা কার্যকরী ভূমিকা রাখে তবে খুব বেশি পরিমাণে কলা খেলে তখন শরীরের ওজন বৃদ্ধি হতে পারে।
  • আমাদের মধ্যে অনেকেরই অল্পতে ঠান্ডা লাগার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাদের রাতে কলা খাওয়া একদমই উচিত না এবং খুবই বেশি পরিমাণ কলা খাওয়া তাদের সঠিক না।
  • সুগারের মাত্রা খুবই বেশি রয়েছে কলার মধ্যে এই জন্য অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খাওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখতে হবে। না পারলে সমস্যা দেখা দিতে পারে আপনার দাঁতের।

পাকা কলা খাওয়ার নিয়ম

প্রত্যেকটি মানুষেরই সঠিক নিয়ম জেনে পাকা কলা খাওয়া উচিত।সাধারণত তাদের জন্য যারা অল্পতে ঠান্ডাই আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এই জন্য তাদের সকলকে এই বিষয় সম্পর্কে জেনে রাখা খুবই জরুরী।আমাদেরকে অবশ্যই কলা খাওয়ার কিছু সঠিক নিয়ম ও সময় রয়েছে সে বিষয়টি সম্পর্কে জানা। কারণ তাদের ঠান্ডা জনিত বা অন্য যেকোনো ধরনের সমস্যা হতে পারে।


সকালের নাস্তার সাথে কলা খাওয়ার অভ্যাস করা ভালো। প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় এই কলার মধ্যে যেটি মানুষের শরীরের নানা রকমের সমস্যা দূর করে থাকে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণে যদি কলা খাওয়া হয় তবে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর সমস্যা হতে পারে।

দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত

প্রত্যেকটি মানুষেরই দিনে কয়টি কলা খাওয়া উচিত এ বিষয়টি সম্পর্কে জানা খুবই জরুরী। কারণ বেশি পরিমাণে কলা খাওয়া প্রত্যেকটি মানুষের শরীরের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।তবে যদি এই কথাটি খেয়াল না করে অতিরিক্ত পরিমাণে কলা খাওয়া হয়ে যায় প্রায় নিয়মিত তখন বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে।যে সকল সমস্যা দেখা দিতে পারে যেমন পেট খারাপ হওয়ার সমস্যা, কিডনির সমস্যা ও হজম শক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা হতে পারে।কলাতে পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম এজন্য অতিরিক্ত পরিমাণের কলা খাওয়া আমাদের শরীরের রক্তের পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়ে যায় এবং নানা রকমের রোগের সমস্যা দেখা দেয়।
এইজন্য দিনে দুটি কলা খাওয়ার অভ্যাস করা উচিত তবে এর থেকে বেশি করা উচিত না। তবে যাদের গ্যাস্ট্রিক ও অন্য কোন সমস্যা আছে তাদের জন্য একটি করে কলা খাওয়া যথেষ্ট।

লেখক এর শেষ মন্তব্য

পাকা কলা খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সহ আরো বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে এই আর্টিকেলটিতে আলোচনা করা হয়েছে। যারা নিয়মিত কলা খেয়ে থাকেন ও কলা খাওয়া পছন্দ করে সে সকল মানুষের জন্য এই আর্টিকেলটি খুব উপকারী একটি তথ্য। উপরে তথ্যগুলো জেনে প্রতিদিন পাকা কলা খাওয়া উচিত।
এই আর্টিকেলটি সেই সকল মানুষের জন্য যারা কলা খাওয়া খুবই পছন্দ করে।মনে করি এ আর্টিকেলটি পড়ে আপনাদের সকলেরই প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো জানতে পারবেন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url